» ইউপি নির্বাচনে কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগে বরিশাল আদালতে একদিনে ৪ মামলা

Published: ২৩. আগ. ২০১৭ | বুধবার

ইউপি নির্বাচনে কারচুপি, মৃত্যুব্যক্তিদের ভোট প্রদান সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে একদিনে পৃথক ৪ টি মামলা দায়ের হয়েছে। ২৩ আগস্ট বুধবার বরিশালের সিনিয়র সহকারী জজ হাদিউজ্জামান বিচারাধীন নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা ৪ টি দায়ের হয়। ৪টি মামলাই মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদের গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত নির্বাচন নিয়ে হয়। চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত স্বতন্ত্র প্রার্থীকে প্রধান প্রতিপক্ষ করে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ প্রার্থী একটি মামলা এবং আওয়ামীলীগের নির্বাচিত মেম্বর ও সংরক্ষিত মহিলা মেম্বরকে প্রতিপক্ষ করে বাকি তিন মামলা দায়ের করা হয়।চেয়ারম্যান পদে পরাজিত আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী সেকান্দার আলী জাফর বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী মনির হোসেন ও পরাজিত বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন দুলালকে প্রতিপক্ষ করে এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনের ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের পরাজিত মেম্বর প্রার্থী বিপুল বেগম বিজয়ী আওয়ামীলীগ সমর্থিত বিজয়ী প্রার্থী ছনিয়া বেগম ও অপর পরাজিত প্রার্থী ফাতেমা বেগমকে প্রতিপক্ষ করে, ২ নং ওয়ার্ডের মেম্বর পদে পরাজিত বাবুল হোসেন,বিজয়ী আওয়ামীলীগ সমর্থিত কবির হোসেন ও অপর পরাজিত প্রার্থী সাইফুল হোসেনকে প্রতিপক্ষ এবং ৫ নং ওয়ার্ডের মেম্বর পদে পরাজিত প্রার্থী আব্দুল মতিন বিজয়ী আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী জামাল হাওলাদার ও অপর পরাজিত প্রার্থী হোচেন হাওলাদার, জয়নাল আবেদীন হাওলাদার,মাহবুব আলম অ শহিদুল ইসলাম সিকদারকে প্রতিপক্ষ করেন।প্রত্যেক মামলায় প্রধান প্রতিপক্ষর নির্বাচনী কর্মকাণ্ডকে দায়ী করে অভিযোগ দেয়া হয়।প্রত্যেক মামলায় প্রায় একই ধরনের অভিযোগ করা হয়।৪ মামলার আরজীতে বাদীরা আইনজীবী আজাদ রহমানের মাধ্যমে আদালতে বলেন,সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তারা বিজয়ী হতেন।বিজয়ী প্রতিপক্ষরা ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে প্রভাবিত করে।তারা দলীয় লোকজনকে নিয়ে নির্বাচনের দিন সাধারণ ভোটারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোটকেন্দ্র থেকে তাড়িয়ে দেন।তারা বিভিন্ন প্রকারে প্রিজাইডিং অফিসার সহ নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে তার জাল ভোট প্রদান করান।এতে মৃত্যু ব্যাক্তিদেরও ভোট প্রদান করা হয়।যা ব্যালটের মুড়ি তলব করলে প্রমাণ মিলবে।এছাড়া বাদীদের ভোট ডাবল সিল দিয়ে নষ্ট করা হয়।নির্বাচনী আইন লংঘন করে অতিরিক্ত ব্যয়ের মাধ্যমে নির্বাচনে কারচুপি করেন।ফলাফল ঘোষনায়ও তারা ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে ভোট গ্রহণের দায়িত্বে থাকাদের ম্যানেজ করে মনগড়া ভাবে বিজয় ছিনিয়ে নেয়।এ ব্যাপারে বাদীগন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেও সাড়া পাননি।নির্বাচন কমিশন উল্টো বে আইনী ভাবে বিজয়ীদের নাম গেজেটে প্রকাশ করেন।এতে বাদীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ব্যলট বাক্স তলব করে পুনরায় ভোট গ্রহণের মাধ্যমে অভিযোগের প্রমান করে পুনরায় ভোট গ্রহণের আদেশ বা তাদের বিজয়ী বলে আদেশ চেয়ে মামলা দায়ের করেন।আদালত সবকটি মামলা আদেশের জন্য রেখে দেন বলে আদালত সূত্র জানায়।

Share Button

খোঁজাখুঁজি

সেপ্টেম্বর ২০১৭
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« আগষ্ট    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০