» জায়গা সংকটে বরিশাল নগরীতে ময়লা পরিষ্কার বন্ধ

Published: ২২. আগ. ২০১৭ | মঙ্গলবার

বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) ময়লা ফেলার ডাম্পিং স্টেশন জায়গা না থাকায় নগরের বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়নি। ফলে আজ সকাল থেকে নগরের বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনার স্তুপ পরে রয়েছে এবং স্তুপ ঘিরে দূর্ঘন্ধ ছড়িয়ে পরছে। পরে পরিচ্ছন্নত বিভাগের পক্ষ থেকে কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও নগরের ৩০ টি ওয়ার্ডের ময়লা অপসারনের বিষয়ে কোন চূরান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন পরিছন্নতা কর্মকর্তা দিপক লাল মৃধা। তিনি জানান, কোন ব্যবস্থা করতে না পারলেও নগরবাসীকে তো দূর্ভোগে ফেলা যাবে না। তাই নতুন একটি জায়গা পরিদর্শনে যাচ্ছেন। খুব দ্রুত এ সমস্যার সমাধান করা হবে। সমাধানের চেষ্টা সফল হলে তখন জানানো হবে। এদিকে বিসিসির পরিছন্নতা বিভাগের ট্রাক চালকরা জানিয়েছেন, বিসিসির নির্ধারিত ডাম্পিং স্টেশনের ময়লা ফেলার কোন জায়গা নেই। পাশাপাশি স্টেশনে ট্রাক ঢুকানো সব কটি প্রবেশ পথ বর্জ্যের কারনে আটকে গেছে। তাই ট্রাক ডাম্পিং স্টেশনে মধ্যে ঢুকছে না। এ অবস্থায় নগরী থেকে ময়লা সংগ্রহ করে ট্রাক বোঝাই করার ছাড়া অন্য কোন উপয় নেই। কিন্তু বর্জ্যগুলো ট্রাকে রাখলের নগরবাসীর দুর্ভোগ আরো বৃদ্ধি পাবে। তাই তারা বর্জ্য সংগ্রহ করা করেনি। বিভিন্ন ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা জানিয়েছেন, তারা ওয়ার্ডগুলোর ছোট-ছোট লেন থেকে ময়লা সংগ্রহ করে বিভিন্ন স্থানে স্তুপ করে রেখেছেন। কিন্তু ট্রাকগুলো ময়লা না নেয়ার দুপুর পর্যন্ত সেখানেই ময়লাগুলো পরে রয়েছে। বর্জ্য ফেলার বিকল্প স্থান দেওয়া হলে দ্রুত নগরীর ৩০ ওয়ার্ড থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করে নিদৃস্ট স্থানে ফেলা হবে। বিসিসি সূত্র জানায় , ২০০৪ সালের শেষের দিকে নগরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউনিয়ার পুরানপাড়া, হোসনাবাদ, কাউনিয়া ও সাপানিয়া সংযোগ এলাকায় ছয় একর জমি অধিগ্রহণ করে নির্মাণ করা হয় ডাম্পিং গ্রাউন্ড বা ডাম্পিং স্টেশন। ওই সময়ে স্টেশনের পূর্ব-দক্ষিণ পাশে একটি টিনের চালাসহ একটি চুল্লি নির্মান করা হয়েছিলো, যা কিছুদিন পরেই বিকল হয়ে যায়। পাশাপাশি বর্জ্য আধুনিক পদ্ধততিতে রিসাইক্লিনিং করার কোন ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘ ১ যুগের বেশি সময় ধরে ময়লা ফেলতে ফেলতে এলাকাটি ময়লার স্তুপে ভরে গেছে। এ বিষয়ে বিসিসির পরিছন্নতা কর্মকর্তা দিপক লাল মৃধা জানান, প্রতিদিন নগরীর ৩০টি ওয়ার্ড থেকে একশত টনের মতো বর্জ্য সংগ্রহ করে এ স্টেশনটিতে ফেলা হয়। কিন্তু ওই পরিমানের বর্জ্য ধংশ করার জন্য সেখানে অধুনিক ব্যবস্থা নেই। ম্যনুয়াল পদ্ধতিতে বর্জ্য মাঝেমধ্যে পুড়িয়ে ফেলা হলেও কঠিক পদর্থগুলো ধংশ করা সম্ভব হয়নি। এখন তো সেখানে ময়লার গাড়িই ঢুকতে পারছে না, তাই ট্রাকচালকরাও নগরীর বর্জ্য ট্রাকে তুলছে না। এ বিষয়ে বিসিসির প্রধান নির্বার্হী কর্তকর্তা মো. ওয়াহেদুজ্জামান বলেন, বিষয়টি নিয়ে পরিছন্নাতা বিভাগের কর্মকর্তা ও ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে। আশাকরি সল্প সময়ের মধ্যে বিকল্পস্থানে বর্জ্য ফেলার ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এদিকে আধুনিক পদ্ধততিতে বর্জ্য রিসাইক্লিনিং করার অর্থ বিসিসি’র না থাকায়, বিভিন্ন দাতা সংস্থার কাছে এ বিষয়ে প্রকল্প জমা দেওয়া হয়েছে বলে কর্পোরেশন সূত্রে জানাগেছে।

Share Button

খোঁজাখুঁজি

সেপ্টেম্বর ২০১৭
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« আগষ্ট    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০