» বিসিসি নির্বাচনঃ মেয়র পদে বিএনপির

Published: ১৮. আগ. ২০১৭ | শুক্রবার

বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আগেভাগেই তোরজোর শুরু করেছে বিএনপির হেভিওয়েট থেকে নবীন ৮ নেতা। ইতোমধ্যে দলীয় মনোনয়ন পেতে যার যার মত লবিং চালাচ্ছেন। স্বপ্ন দেখছেন বরিশাল নগরীর নগর পিতা হওয়ার। বিএনপিতে এবার মেয়র পদ প্রত্যাশীদের তালিকায় যেমন প্রবীন কিংবা সিনিয়র নেতা রয়েছেন, তেমনি নবীন প্রার্থীরাও উকি ঝুকি মারছেন। কোন কোন মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রকাশ্যে প্রচারনা চালালেও কেউ কেউ আবার ভেতরে ভেতরে তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। এ নিয়ে নগরীতেও চলছে নানা গুঞ্জন।
জানা গেছে, ২০১৩ সালের ১৫ জুন সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শওকত হোসেন হিরণকে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন বিএনপি সমর্থিত আহসান হাবিব কামাল। সে অনুযায়ী আগামী বছরের মাঝামাঝি বরিশাল সিটি নির্বাচন হতে পারে বলে জেলা নির্বাচন অফিসের ধারনা।
বিএনপিতে একাধিক মেয়র পদ প্রত্যাশীর নাম শোনা যাচ্ছে। এরা হলেন বর্তমান মেয়র বিএনপি নেতা আহসান হাবিব কামাল, কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর সভাপতি এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, জেলা(দক্ষিন) বিএনপির সভাপতি এবায়দুল হক চান, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি মনিরুজ্জামান ফারুক, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার, মহানগর বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সহ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আফরোজা খানম নাসরিন। ইতোমধ্যে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শিরিন নিজেকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষনা দিয়েছেন। তবে অন্য প্রার্থীরাও বসে নেই। ওয়ান-ইলেভেনের সময় সিটি নির্বাচনে মাত্র ৫শ ভোটে আ’লীগ প্রার্থী হিরণের কাছে পরাজিত হন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু। বিএনপি নেতা চাঁন এর আগে একাধিকবার প্রার্থী হতে চাইলেও দলের চাপে সরে গেছেন। এদের পাশাপাশি বিএনপি নেতা জিয়া এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেত্রী নাসরিনও মেয়র প্রার্থী হতে ইচ্ছুক।
মহানগর বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সহ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আফরোজা খানম নাসরিন বলেন, দলীয় হাই কমান্ড তরুনদের নেতৃত্ব চান। তিনি বরিশাল নগরীতেই রাজনীতি করছেন। এ পর্যন্ত আন্দোলন করতে গিয়ে ২৮টি ষড়যন্ত্র মামলার শিকার হয়েছেন। জেলও খাটতে হয়েছে তাকে ৭ বার। তৃনমূল নেতাকর্মীরা তাকে বরিশালের মেয়র প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান। দল চাইলে তাই মেয়র প্রার্থী হতে ইচ্ছুক।
মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার বলেন, সিটি নির্বাচন হবে নগরীর মধ্যে। তিনি মহানগরের সাধারণ সম্পাদক। সেকারণে দল নিশ্চই মহানগর থেকে সবার আগে প্রার্থী খুজবে। তিনি বলেন, শিরিন মহানগরের কেউ নন। আর তিনি (জিয়া) একাধিকবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। দল তাকে (জিয়া) মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিতে চাইলে নির্বাচনে অংশ নিবেন।
মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি মনিরুজ্জামান ফারুক বলেন, যেহেতু সিটি নির্বাচন হবে মহানগরকে কেন্দ্র করে। সেহেতু তিনিও দলের নেতা হিসেবে মেয়র প্রার্থী হতে ইচ্ছুক। কেন্দ্রের কাছে তিনি এবর মনোনয়ন চাইবেন। এব্যপারে জেলা (দক্ষিন) বিএনপির সভাপতি এবায়দুল হক চান বলেন, সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষনার আগে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চান না
বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আগেভাগেই তোরজোর শুরু করেছে বিএনপির হেভিওয়েট থেকে নবীন ৮ নেতা। ইতোমধ্যে দলীয় মনোনয়ন পেতে যার যার মত লবিং চালাচ্ছেন। স্বপ্ন দেখছেন বরিশাল নগরীর নগর পিতা হওয়ার। বিএনপিতে এবার মেয়র পদ প্রত্যাশীদের তালিকায় যেমন প্রবীন কিংবা সিনিয়র নেতা রয়েছেন, তেমনি নবীন প্রার্থীরাও উকি ঝুকি মারছেন। কোন কোন মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রকাশ্যে প্রচারনা চালালেও কেউ কেউ আবার ভেতরে ভেতরে তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। এ নিয়ে নগরীতেও চলছে নানা গুঞ্জন।
জানা গেছে, ২০১৩ সালের ১৫ জুন সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শওকত হোসেন হিরণকে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন বিএনপি সমর্থিত আহসান হাবিব কামাল। সে অনুযায়ী আগামী বছরের মাঝামাঝি বরিশাল সিটি নির্বাচন হতে পারে বলে জেলা নির্বাচন অফিসের ধারনা।
বিএনপিতে একাধিক মেয়র পদ প্রত্যাশীর নাম শোনা যাচ্ছে। এরা হলেন বর্তমান মেয়র বিএনপি নেতা আহসান হাবিব কামাল, কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর সভাপতি এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, জেলা(দক্ষিন) বিএনপির সভাপতি এবায়দুল হক চান, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি মনিরুজ্জামান ফারুক, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার, মহানগর বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সহ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আফরোজা খানম নাসরিন। ইতোমধ্যে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শিরিন নিজেকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষনা দিয়েছেন। তবে অন্য প্রার্থীরাও বসে নেই। ওয়ান-ইলেভেনের সময় সিটি নির্বাচনে মাত্র ৫শ ভোটে আ’লীগ প্রার্থী হিরণের কাছে পরাজিত হন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু। বিএনপি নেতা চাঁন এর আগে একাধিকবার প্রার্থী হতে চাইলেও দলের চাপে সরে গেছেন। এদের পাশাপাশি বিএনপি নেতা জিয়া এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেত্রী নাসরিনও মেয়র প্রার্থী হতে ইচ্ছুক।
মহানগর বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সহ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আফরোজা খানম নাসরিন বলেন, দলীয় হাই কমান্ড তরুনদের নেতৃত্ব চান। তিনি বরিশাল নগরীতেই রাজনীতি করছেন। এ পর্যন্ত আন্দোলন করতে গিয়ে ২৮টি ষড়যন্ত্র মামলার শিকার হয়েছেন। জেলও খাটতে হয়েছে তাকে ৭ বার। তৃনমূল নেতাকর্মীরা তাকে বরিশালের মেয়র প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান। দল চাইলে তাই মেয়র প্রার্থী হতে ইচ্ছুক।
মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার বলেন, সিটি নির্বাচন হবে নগরীর মধ্যে। তিনি মহানগরের সাধারণ সম্পাদক। সেকারণে দল নিশ্চই মহানগর থেকে সবার আগে প্রার্থী খুজবে। তিনি বলেন, শিরিন মহানগরের কেউ নন। আর তিনি (জিয়া) একাধিকবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। দল তাকে (জিয়া) মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিতে চাইলে নির্বাচনে অংশ নিবেন।
মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি মনিরুজ্জামান ফারুক বলেন, যেহেতু সিটি নির্বাচন হবে মহানগরকে কেন্দ্র করে। সেহেতু তিনিও দলের নেতা হিসেবে মেয়র প্রার্থী হতে ইচ্ছুক। কেন্দ্রের কাছে তিনি এবর মনোনয়ন চাইবেন। এব্যপারে জেলা (দক্ষিন) বিএনপির সভাপতি এবায়দুল হক চান বলেন, সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষনার আগে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চান না

Share Button

খোঁজাখুঁজি

অক্টোবর ২০১৭
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« আগষ্ট    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১