» ছোট নির্বাচনেও বড় প্রভাব

Published: ২৭. ফেব্রু. ২০১৮ | মঙ্গলবার

আজ দেশের ১২৬টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি), পৌরসভা, ও জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে ৬টি পৌরসভা ও ৩৭টি ইউপিতে সাধারণ এবং বাকিগুলোয় বিভিন্ন পদে উপনির্বাচন হবে। এগুলো স্থানীয় সরকারভুক্ত সবচেয়ে ছোট প্রতিষ্ঠান হলেও এ নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও মাঠের বিরোধী দল বিএনপি। কারণ পৌর মেয়র ও ইউপি চেয়ারম্যান পদে ভোটযুদ্ধে নৌকা ও ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন দুই দলের প্রার্থীরা। এ ভোটের ফল আগামী জাতীয় নির্বাচনে স্থানীয় আসনের ভোটারদের ওপর এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ফেলবে- এমনটি মনে করছেন দল দুটির সংশ্লিষ্টরা। ফলে নিজ দলের প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত করতে মরিয়া দুই দলই।

এদিকে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের আগেই সহিংসতা, প্রভাব বিস্তার ও ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোর বিস্তর অভিযোগ এসেছে কমিশনে। এসব অভিযোগের বেশিরভাগই সংসদ সদস্য, পুলিশ ও সরকারি দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। আর অভিযোগকারীদের অধিকাংশই বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী। কোথাও কোথাও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগের কয়েকটির সত্যতাও পেয়েছেন নির্বাচন কর্মকর্তারা। আরও জানা গেছে, পক্ষপাতের অভিযোগে এরই মধ্যে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসিকে নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। কয়েকটি অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয়ভাবে পদক্ষেপ নিতে ডিসি, এসপি, ইউএনও ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কোথাও সহিংসতা হলে ভোট গ্রহণ বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এসব অভিযোগের বিষয়ে ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বুধবার যুগান্তরকে বলেন, আমরা অনেক অভিযোগ পেয়েছি। এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনও ও আমাদের কর্মকর্তাদের (ইসি) বলা হয়েছে। কুমিল্লার একজন ওসিকে নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে বিরত রাখতে কমিশন নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, সুষ্ঠু ভোট গ্রহণের সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। আশা করছি, ভালোভাবে ভোট গ্রহণ করতে পারব। ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বিঘেœ বাড়ি ফিরতে পারবেন।

ইউপি চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র পদে সর্বনিন্ম দুইজন ও সর্বোচ্চ আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অনেক স্থানেই ক্ষমতাসীন দলের একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণেই এমনটি হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন সুষ্ঠু করার পাশাপাশি নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত করার বিষয়টি ক্ষমতাসীনদের জন্য এক ধরনের কঠিন পরীক্ষা। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. গোলাম মোর্তূজা যুগান্তরকে বলেন, ‘আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে এটি গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলাফলের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। এখানে নৌকা প্রতীক জয়ী না হলে স্থানীয় সংসদ সদস্যের (এমপি) জন্য ক্ষতি হয়ে যাবে। ওই এমপির জনপ্রিয়তা নিয়ে ভোটারদের মধ্যে প্রশ্ন উঠবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, তার উপজেলায় তিনটি ইউপিতে ভোট হচ্ছে। সেখানে আওয়ামী লীগের চারজন বিদ্রোহী প্রার্থী মাঠে আছেন।

অপরদিকে সরকারি দলের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করে ইসিকে চাপে রাখার কৌশল নিয়েছে বিএনপি। যাতে ইসি আচরণবিধি লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় এবং সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করে। আর ভোট সুষ্ঠু হলে ধানের শীষের প্রার্থী জয়ী হবে বলে দৃঢ়বিশ্বাস দলটির স্থানীয় নেতাদের।

জানতে চাইলে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা অ্যাডভোকেট মাইনুদ্দিন হোসেন মজুমদার যুগান্তরকে বলেন, ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা এলাকায় সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। ভোট কেন্দ্র দখলের পাঁয়তারা করছে। বুধবার রাতে বেশ কয়েকটি কেন্দ্র দখলে মহড়া দেয়। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানালেও তারা কার্যকর কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না।

তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার পর থেকেই প্রশাসনের সহায়তায় এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ আমাদের নেতাকর্মীদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এসব ব্যাপারে স্থানীয় এবং কেন্দ্রীয়ভাবে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচনে তারা আশ্বাস দিয়েছেন; কিন্তু কতটা সুষ্ঠু হবে তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। তিনি বলেন, নাঙ্গলকোট এলাকায় বিএনপির ঘাঁটি। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে এখানে ধানের শীষ বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে।

ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, মোট ১২৬টি ইউপি, পৌরসভা ও জেলা পরিষদে ভোট গ্রহণ হবে। এর মধ্যে ৩৭টি ইউনিয়ন ও ৬টি পৌরসভায় সাধারণ নির্বাচন হবে। ৩১টি ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড পর্যায়ে ও ৬টিতে চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচন এবং একটি ইউপির একটি ওয়ার্ডে পুনর্নির্বাচন হবে। এছাড়া ৩টি পৌরসভার এবং দুটি জেলা পরিষদের একটি করে ওয়ার্ডে উপনির্বাচন হবে। যেসব ইউনিয়ন ও পৌরসভায় সাধারণ নির্বাচন হচ্ছে, সেসব এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাবের মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। কোথাও কোথাও কোস্টগার্ডও রয়েছে। প্রতিটি এলাকায় আচরণবিধি প্রতিপালনে মোবাইল কোর্ট কাজ করছে। যে ৬টি ইউনিয়ন পরিষদে শুধু চেয়ারম্যান পদে ভোট গ্রহণ হবে, সেখানেও পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাব রয়েছে। সাধারণ নির্বাচন হওয়া ইউনিয়ন ও পৌরসভায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীরা মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।

ইসির কর্মকর্তারা জানান, যে ৩৭টি ইউনিয়ন পরিষদে সাধারণ নির্বাচন হবে সেগুলোর মধ্যে ১৫টিই কুমিল্লায় অবস্থিত। এছাড়া সেখানে ৪টি ইউনিয়ন পরিষদের উপনির্বাচনও রয়েছে। এসব নির্বাচনে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। সেখানকার ৮ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। স্থানীয় নির্বাচন কর্মকর্তারা এসব অভিযোগের সত্যতা পেয়ে কমিশনকে অবহিত করেন। পরে কমিশন তাকে নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও বিভিন্ন নির্বাচন থেকে এ পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছিল বলেও জানান তারা। ভোট গ্রহণের আগের দিন বুধবার ইসির যুগ্ম সচিব (চলতি দায়িত্ব) ফরহাদ আহম্মদ খান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ওই ওসিকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়ার নির্দেশনা কুমিল্লার পুলিশ সুপারকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

ইসি সূত্র আরও জানায়, রোববার শরীয়তপুরের সরকারি দলের একজন এমপির বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ স্থানীয় প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছে ইসি। জাজিরা উপজেলার মূলনা ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল আমিন হাওলাদার এ অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। ওই লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, শরীয়তপুর-১ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য বিএম মোজাম্মেল হক মসজিদ, কিন্ডারগার্টেন ও একটি বাড়ির সামনে নির্বাচনী জনসভা করেছেন, যা আচরণবিধি লঙ্ঘন। ওই এমপি তার বক্তব্যে ভোটারদের বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছেন বলেও দাবি করেন এ প্রার্থী। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সংসদ সদস্য বিএম মোজাম্মেল হক যুগান্তরকে বলেন, আমি কোনো জনসভায় যাইনি। রাজনৈতিকভাবে কালিমালিপ্ত করতে এ অভিযোগ করা হয়েছে। এ মুহূর্তে আমার নির্বাচনী এলাকায় নিজ বাড়িতে অবস্থান করছি। তিনি জানান, অভিযোগকারী প্রার্থী দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে বিদ্রোহী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার ৪নং আলেকজান্ডার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী জাফর আহাম্মদ মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের সচিবের কাছে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ১২ ডিসেম্বর দলীয় নেতাকর্মীদের ভোটে প্রভাব বিস্তার করতে নির্দেশ দিয়েছেন ওই এমপি। এরপর থেকে আওয়ামী লীগ দলীয় নেতাকর্মীরা বিরোধীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। ফলে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবদুল্লাহ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ ধরনের অভিযোগের ভিত্তি নেই। এটা রাজনৈতিক অভিযোগ। আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য এ অভিযোগ করা হয়েছে।

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার দৌলখাঁড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মো. মোশারফ হোসেন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ভাংচুর, বোমাবাজি, ফাঁকা গুলি ছোড়ার অভিযোগ করেছেন। অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেছেন, ২৩ ডিসেম্বর তার নিজ বাড়িতে অবস্থিত নির্বাচনী কার্যালয়, দুবাইর বাজার, দৌলখাঁড় এলাকায় ৫০-৬০টি মোটরসাইকেলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তার সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। ওই হামলায় ১০ জন বিএনপির নেতাকর্মী আহত হন এবং ৫টি মোটরসাইকেল ও নির্বাচনী ক্যাম্প ভাংচুরের অভিযোগ করেন তিনি। এ অবস্থায় সুষ্ঠু ও নির্বিঘœ ভোট গ্রহণের জন্য ইসির কাছে দাবি জানান তিনি। এছাড়া কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার মুদাফরগঞ্জ উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. শাহ আলম তার অভিযোগে নির্বাচনী প্রচারণায় প্রতিপক্ষের হামলার অভিযোগ করেন। ওই হামলায় তার ভাই খোরশেদ আলমসহ ৫-৭ জন আহত হয় বলে দাবি করেন। এদের মধ্যে খোরশেদ আলম কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনিও সুষ্ঠু নির্বাচনের পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান।

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান ইকু ও সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম মিন্টু স্বাক্ষরিত এক অভিযোগে ইসিকে জানিয়েছেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ক্লিনার জাবেদ মোল্লা স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলামের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। নিজেকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগের স্থানীয় এ দুই নেতা। এছাড়া ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ৫নং আমিনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম আখতার উদ্দিন মঈন ইসিতে দায়ের করা এক অভিযোগে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন ও ভোট গ্রহণের সময় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ করেছেন।

নির্বাচনী এলাকায় ব্যাংক বন্ধ : ছয়টি পৌরসভার সাধারণ নির্বাচন উপলক্ষে আজ সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এগুলো হল- পঞ্চগড়ের বোদা পৌরসভা, দিনাজপুরের বিরল পৌরসভা, রাজশাহীর বাঘা পৌরসভা, নাটোরের বনপাড়া পৌরসভা, ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পৌরসভা এবং জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভা।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সার্কুলারে এ নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সার্কুলারে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন উপলক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্ব স্ব ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোট গ্রহণের সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় অবস্থিত তফসিলি ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রণকারী কার্যালয়সহ সব শাখা বন্ধ থাকবে।

Share Button

খোঁজাখুঁজি

মে ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« এপ্রিল    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১