» খালেদা জিয়ার কিছু হলে তার দায় সরকারকে নিতে হবেঃবরিশালে বিএনপি মহাসচিব

Published: ০৭. এপ্রি. ২০১৮ | শনিবার

রাইসুল ইসলাম অভি ৷৷

খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের কোনো অবনতি হলে এই সরকারকে তার দায়িত্ব নিতে হবে। তাকে যারা এতদিন ধরে চিকিৎসা করাচ্ছিলেন কারা কোড অনুযায়ী, তারা খালেদা জিয়ার চিকিৎসা করতে পারবেন। তবে ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা তার চিকিৎসা করলে তিনি সন্তুষ্ট হবেন।গতকাল বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে আয়োজিত বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা বলেন।তিনি বলেন,বরিশালের এ সমাবেশ প্রমান করে এ দেশের  মানুষ হাসিনাকে লালকার্ড দেখিয়েছে।মির্জা আলমগীর অভিযোগ করে বলেন বেগম জিয়াকে কারান্তরীন রেখে সরকার আবারো ৫ জানুয়ারীর মত নির্বাচনের নীলনকশা একেছে। কিন্তু এ দেশের মানুষ তা হতে দেবেনা।বেগম জিয়াকে কারাগারে রেখে বিএনপি কোন নির্বাচনে যাবেনা বলেও হুশিয়ারি দেন দলটির মহাসচিব।তিনি আরও বলেন খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের মাতা, এই দেশের মানুষের মুক্তির জন্য তিনি আজীবন লড়াই করেছেন। শুক্রবার খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম, তাকে যখন বললাম, কালকে বরিশালে জনসভা করতে যাচ্ছি। তখন তিনি বলেছেন, বরিশালের জনগণকে আমার সালাম জানাবেন। বরিশালের মানুষ সংগ্রামী লড়াকু। তারা গণতন্ত্রের লড়াইয়ে আছে।
ফকরুল আরও বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনে এই দেশের জনগণ তাদের ভোট দেয়নি। বর্তমান অবৈধ সরকার গায়ের জোরে বন্দুকের জোরে ক্ষমতায় বসে আছে। তারা আজ জনগণের নেত্রীকে সুচিকিৎসা পর্যন্ত দিচ্ছেনা। আজকে আপনাদের পরীক্ষা দেয়ার সময় এসেছে। পরীক্ষায় আপনাদের জয়ী হতে হবে। অন্যথায় চিরজীবনের মতো আবদ্ধ হয়ে থাকতে হবে।
নেতাকর্মীদের ধৈর্য্য ধরার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, দয়া করে ধৈর্য ধরুন, শান্তি-শৃঙ্খলার মধ্যে থাকেন। নেত্রী যে নির্দেশ দেবেন তা পালন করতে হবে। তবে এর আগে তাকে জেল থেকে বের করে আনতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে হবে। দেশের মানুষের অধিকার রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্র ও মানুষকে রক্ষার জন্য আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই। বুকের ওপর চেঁপে বসা স্বৈরাচার সরকারকে পরাজিত করে একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করি।বিকেল ৩টায় বরিশাল নগরীর হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে শুরূ হয় সমাবেশ।সমাবেশ শুরুর পূর্বেই জনসভাস্থল কানায় কানায় পূর্ন হয়ে যায়।বরিশাল ছাড়াও ঝালকাঠী,বরগুনা,পটুয়াখালী ভোলা সহ বিভন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীরা আসে এ জনসভায়, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন,শেখ হাসিনা বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম জিয়াকে ভয় পায় তাই তাকে আটকে রেখে আবারো একটি পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যেতে চায়।বেগম জিয়া অসুস্থ তাকে ঠিকমত চিকিৎসাও দেয়া হচ্ছে না।একদিকে সরকার মুখে গনতন্ত্রের কথা বলবে অন্যদিকে সভা সমাবেশের উপর নিশেধাজ্ঞা জারি করে নিজেদের স্বৈরাচারি আচরনের বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে।তিনি অবিলম্বে বেগম জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করেন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা বরকত উল্লা বুলু,সুর্পিম কোর্ট আইনজীবি সমিতির সভাপতি এ্যাড.জয়নুল আবেদীন,বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম,  বিএনপির যুগ্ন মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ারের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুস,মাহবুবুল হক খান নান্নু,বরিশাল সিটি মেয়র আহসান হাবিব কামাল, দক্ষিন জেলা বিএনপি সভাপতি এবায়দুল হক চান,উওর জেলা বিএনপি সভাপতি মেজবা উদ্দিন ফরহাদ সহ অনান্য স্থানীয় ও জাতীয় নেতৃবৃন্দ।

Share Button

খোঁজাখুঁজি

আগষ্ট ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« জুন    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১