» ঝালকাঠীর উওমনগর আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এন্তার অভিযোগ!!!

Published: ১৭. এপ্রি. ২০১৮ | মঙ্গলবার

ঝালকাঠীর উওমনগর আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।মাদ্রাসার নামে বিভিন্ন স্থান থেকে অর্থ লোপাট করে অধ্যক্ষ এখন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছেন।দীর্ঘ বছরকাল পর্যন্ত একই প্রতিষ্ঠানে মাদ্রাসা সুপার হিসেবে থাকায় তিনি এখন ঐ উওমনগর আলিয়া মাদ্রাসার সর্বেসর্বা বনে গেছেন।বাইরের কোন ব্যক্তি কিংবা ম্যানেজিং বোর্ডের সদস্য তার বিরুদ্ধে কিছু বললেই ঐ সকল ব্যক্তিকে শায়েস্তা করতে উঠেপড়ে লাগেন।উওমনগর এলাকার একাধীক ব্যক্তি জানান,দীর্ঘ ২০-২২ বছরেরও বেশি সময় ধরে এ মাদ্রাসার সুপারের দায়িত্ব পালন করে আসছে জিয়াউল হক।তিনি নিজের খেয়াল খুশিমত মাদ্রাসা পরিচালনা করেন।মাদ্রাসায় নানা রকম অন্যায় অনিয়মের মাধ্যমে সরকারী অর্থ এবং মাদ্রাসার নিজস্ব সম্পদ আত্বসাত করে নিজের সার্থ হাসিল করে যাচ্ছেন।তার বিরদ্ধে খোজ নিয়ে জানা গেছে,তিনি সরকারী বই ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিতরন না করে সেগুলো বিক্রী করে দন।এছাড়াও মাদ্রাসার নিজস্ব সম্পত্তির বেশ কিছু গাছ তিনি কোন প্রকার আইন কানুনের তোয়ক্কা না করে নিজস্ব ক্ষমতাবলে বিক্রী করে দিয়েছন।এছাড়াও সিডরের সময় সরকারী বিভিন্ন অনুদান থেকে প্রাপ্ত প্রায় ৫লক্ষ টাকা তিনি আত্বসাত করেছেন।এলকায় খোজ নিয়ে জানা গেছে মাদ্রাসায় ভুয়া ছাত্র ছাত্রী ভর্তি দেখিয়ে তাদের নামে উপবৃত্তি টাকা উওোলন করেন মাদ্রসা সুপার জিয়াউল হক।এ ছাড়াও মাদ্রাসা সুপার বিভিন্ন সময় শিক্ষকদের নিকট অর্থ দাবী করেন।দাবীকৃত অর্থ না পেলে সে শিক্ষককের উপর চড়াও হন এমন পরিস্থিতিতে ঐ মাদ্রাসার একজন সহকারী শিক্ষক আবদুল্লাহ আল মামুনও ঐ অধ্যক্ষের দ্বারা লাঞ্চনার শিকার হয়ে ঝালকাঠী সদর থানায় সাধারন ডাইরি করেন,যার নং-৭৫০ তারিখ:১৮/১০/২০১৪।পরবর্তীতে পিতার নামে জিডি হওয়ায় মাদ্রাসা সুপার জিয়াউল হকের পুত্র বিভিন্ন মামলায় পুলিশের চার্জশিটভুক্ত আসামী নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা দাবীদার হামিম খান ঐ শিক্ষককে নাজেহল করতে উঠেপড়ে লাগেন।পরে থানা পুলিশের মধ্যস্থতায় বিষয়টির সমাধা হয়।এ ছাড়াও এ মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ হল মাদ্রাসায় এখন পর্যন্ত কোন আয় ব্যায়ের নিরিক্ষাবা অডিট করানো হয়নি।এ প্রসঙ্গে মাদ্রাসার ম্যানজিং কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,এখন পর্যন্ত এমন কোন অনিয়ম তার চোখে পড়েনি।যদি এমন কোন অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে তিনি ব্যবস্থা নেবেন।এ প্রসঙ্গে মাদ্রাসার সুপার জিয়াউল হককে ফোন করা হে তিনি সকল বিষয় শুনে কোন বক্তব্য না দিয়ে এড়িয়ে যান পরবর্তীতে তার ভাগিনা পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি ফোন করে জানান তার খালু অসুস্থ কোন কিছু জানার থাকলে মাদ্রাসায় এসে জানার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।

Share Button

খোঁজাখুঁজি

জুলাই ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« জুন    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১