» স্বরূপকাঠিতে মাল্টা চাষ করে বদলে গেছে অচিন্ত্য মিস্ত্রীর ভাগ্য

Published: ২০. নভে. ২০১৮ | মঙ্গলবার

এম.ইসলাম জাহিদ
স্বরূপকাঠির উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়নের গাববাড়ী গ্রামের অচিন্ত্য কুমার মিস্ত্রী। পেষায় সংগীত শিক্ষক ২০১৩ সালে মাল্টার চাষ শুরু করেন তিনি।রোপণ করেন ৫৫০টি চারাগাছ। সেই বাগান এখন পরিপূর্ণ । প্রতিটি গাছেই মাল্টার সমাহার। অচিন্ত্য মিস্ত্রী জানান, এ বছর চার লক্ষ টাকা বিক্রি করেছেন তিনি খরচ বাদে লাভ পেয়েছেন তিন লাখ টাকা। তার বাগানে মিস্টি মাল্টা ছাড়া ও পরীক্ষামূলকভাবে টক-মিষ্টি জাতের ফলের কিছু গাছও লাগিয়েছেন অচিন্ত্য, যার মধ্যে দুটি গাছে ফল এসেছে এ বছর। ডায়াবেটিক রোগীদের খাওয়ার উপযোগী ওই ফল। এ কাজে তার স্ত্রী পিকু মিস্ত্রী সার্বক্ষণিক সহায়তা করেন তাকে। পাল্টে গেছে অচিন্ত্য মিস্ত্রীর জীবন ও জীবিকা। দুই সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ে হার্ট ফাউন্ডেশনে নার্স হিসেবে চাকরি পেয়েছেন কিছুদিন আগে।ছেলেটি আগামী বছর এসএসসি পরীক্ষা দেবে। তার বাগানে সার্বক্ষণিক কাজ করার জন্য রয়েছেন দু’জন নারী শ্রমিক। এ ছাড়া আরও তিন শ্রমিক সাময়িক দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন। কঠিন সংগ্রাম করে জীবিকা নির্বাহ করা অচিন্ত্য মিস্ত্রী একজন গর্বিত চাষি মনে করেন নিজেকে।শুধু অচিন্ত্য কুমার মিস্ত্রীই নয়, মাল্টার চাষ করছে স্বরূপকাঠির শতাধিক চাষি। জলাবাড়ীর,দৈহারীর চিলতলা,মাহামুদকাঠি,মাদ্রা, সমুদয়কাঠি,আদমকাঠিতে ও অসংখ্য বাগান গড়ে উঠছে । উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. রিফাত সিকদার জানান, স্বরূপকাঠিতে বর্তমানে ২৫ হেক্টর জমিতে মাল্টার বাগান রয়েছে। সব বাগানের ফল বাজারে এসেছে। চারা রোপণের তিন বছরের মাথায় ফল আসে। যে কারণে দ্রুত মাল্টা চাষ করে লাভবান হযেয়ছেন অনেকেই।

Share Button