সংবাদ সংক্ষেপ

» প্রশ্ন করার নামে বক্তৃতা দেওয়া নিয়ে সরকারি দলের ক্ষোভ

Published: ২৭. ফেব্রু. ২০১৯ | বুধবার

জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী বা অন্য কোনো মন্ত্রীকে সম্পূরক প্রশ্ন করার সময় সংসদ সদস্যদের বক্তৃতা দেওয়ার প্রবণতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সরকারি দলের সিনিয়র পার্লামেন্টারিয়ান ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

সম্পূরক প্রশ্নকারী সংসদ সদস্যরা যাতে প্রশ্ন করত গিয়ে বেশি বক্তৃতা বা ভূমিকা না রেখে সংক্ষেপে শুধুমাত্র জিজ্ঞাসা প্রশ্নটি যাতে করেন সে বিষয়ে স্পিকারের নির্দেশনা চান তিনি। শেখ সেলিম বলেন, আজ দেখলাম অনেক প্রশ্নকর্তা প্রশ্ন করার নামে দীর্ঘ বক্তৃতা দিয়ে যাচ্ছেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে স্পিকারকে কার্যপ্রণালী বিধি স্বরণ রেখে শুধুমাত্র কি জানতে চান সে প্রশ্নটি সংক্ষেপে করার আহ্বান জানান তিনি।
একইসঙ্গে একটি তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের পরে সর্বোচ্চ ১ জনকে সম্পূরক প্রশ্ন করার জায়গায় একাধিক সংসদ সদস্যকে সম্পূরক প্রশ্ন করার সুযোগ দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। শেখ সেলিম বলেন, মাঝে মধ্যেই ২-৩ বা তারও বেশি সদস্যকে প্রশ্ন করার সুযোগ দেয়া হয়। তাতে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এ বিষয়ে তিনি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের বুধবারের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত ৩০ মিনিটের প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে পয়েন্ট অব অর্ডারে ফ্লোর নিয়ে শেখ সেলিম এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও আহ্বান জানান। এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে উপস্থিত ছিলেন।

শেখ সেলিমের বক্তব্যের বিষয়ে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, আপনি যে আহ্বান জানিয়েছেন তা নিশ্চয়ই সব সংসদ সদস্যরা শুনেছেন।

আজও আমি প্রশ্নকর্তাদের প্রশ্নের মাঝখানে ইন্টারাপ করেছিলাম। বারে বারে বলেছিলাম, ‘মাননীয় সংসদ সদস্য আপনি প্রশ্ন করুন, প্রশ্ন করুন, ভূমিকা রাখার প্রয়োজন নেই’। কেননা আমাদেরকে সময়ের দিকে লক্ষ্য রেখে প্রশ্ন সাজাতে হয় এবং প্রশ্নকর্তার সংখ্যাও নির্ধারণ করতে হয়।

স্পিকার এসময় বলেন, আমি প্রতিটি তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের পরে আমার ক্ষমতা বলে ২ জনকে সম্পূরক প্রশ্ন করার সুযোগ দিয়ে থাকি। যাতে সময় মেনে সংসদ পরিচালনার সুবিধা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট ৩০ মিনিটে প্রশ্নকালে তারকা চিহ্নিত মাত্র ২টি প্রশ্নের উত্তর দিতে সমর্থ হন। লিখিত প্রশ্নকারীর বাইরে সম্পূরক প্রশ্ন করার সুযোগ পান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির এমপি মুজিবুল হক চুন্নু, কাজী ফিরোজ রশীদ, ডা. রুস্তম আলী ফরাজী ও সরকারি দলের দিদারুল আলম।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীকে সম্পূরক প্রশ্ন করার সময় তারা নাতিদীর্ঘ বক্তৃতা করেন। অনেকে ৩০ সেকেন্ডের একটি প্রশ্ন করতে ৩ মিনিটের বেশিও সময় নেন। এসময় স্পিকার বেশ কয়েকবার তাদেরকে সরাসরি প্রশ্ন করার আহ্বানও জানান।

Share Button

খোঁজাখুঁজি

মার্চ ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« ফেব্রুয়ারি    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

দেশবাংলা